বন্ধুর স্ত্রী’’র চোখে চোখ পড়তেই মনের লেনদেন হয়ে গিয়েছিল। প্রে’মে রাজি হলেও বিয়েতে বন্ধুর সুন্দরী স্ত্রী’’র ছিল প্রবল আ’পত্তি। কারণ তার স্বামী রয়েছে। কিন্তু তাকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা র’ক্তে আ’গুন ধরিয়ে দেয়। সেই ভাবনা




থেকেই বন্ধু গুলকেশকে খু’ন করা। ভা’রতের রাজধানী দিল্লির রামা রোডের প্রে’ম নগর পাঠক এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে

। মঙ্গলবার পু’লিশ অ’ভিযু’ক্ত গুলকেশকে গ্রে’ফতার করেছে। জেরায় তিনি নিজের অ’প’রাধ স্বীকার করেছেন।




পু’লিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুলকেশ এবং মৃ’ত দলবীর খুব ভালো বন্ধু ছিল। ৩০ বছরের দলবীরের স্ত্রী’’কে

ভালো লেগে যায় গুলকেশের। নিজের মনের কথা তাকে জানাতে দেরি করেননি গুলকেশ। দলবীরের স্ত্রী’’রও যে




গুলকেশকে অ’পছন্দ ছিল এমন নয়। কিন্তু সংসার ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছে তার ছিল না। সেই কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এরপরেই লক্ষ্যপূরণ করতে নতুন ছক কষে গুলকেশ। বন্ধু দলবীরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে

পারলেই তার স্ত্রী’’কে পাওয়া যাবে। এ ভাবনা থেকেই বন্ধুকে খু’নের পরিকল্পনা করেন তিনি। সোমবার গভীর রাতে ফোন করে দলবীরকে ডেকে নিয়ে যান গুলকেশ। রামা রোডের প্রে’ম নগর পাঠক এলাকায় বন্ধুর মা’থায় ইঁট দিয়ে




আ’ঘাত করে খু’ন করেন। এরপর মৃহদেহ রেল লাইনের উপরে ফেলে রেখে আসেন। ট্রেন চলাচলের কারণে

ম’রদেহ দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে। তাহলে মৃ’ত্যুর সঠিক কারণ বোঝা যাবে না। যার ফলে গুলকেশের প্রতি স’ন্দেহ জাগবে




না। এ ভাবনা থেকে নিজেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পু’লিশকে ফোন করে তিনি জানান যে রামা রোডের প্রে’ম নগর

পাঠক এলাকায় একটি ম’রদেহ পড়ে রয়েছে। পু’লিশকে বি’ভ্রান্ত করতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেননি গুলকেশ। কিন্তু মৃ’ত




দলবীরের মোবাইল যাবতীয় র’হস্যের জট ছাড়িয়ে দেয়। ত’দন্তের স্বার্থে মোবাইলের কল রেকর্ডস সামনে আসতেই স’ন্দেহের তালিকায় উঠে আসে গুলকেশের নাম। পরে জেরার মুখে ভেঙে পড়েন গুলকেশ। নিজেই অ’প’রাধের কথা
স্বীকার করে নেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here