ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গ,রু মোটা-তাজাকরণ বড়ি খেয়ে জ,নু আক্তার (২২) নামে এক গৃ,হবধূর মৃ,ত্যু ঘটেছে। তার লা,শ উ,দ্ধার করে ম,য়নাতদন্তের জন্য ম,য়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হা,সপাতাল মর্গে প্রে,রণ করেছে পাগলা থা,না




পু,লিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পূর্ব গোলাবাড়ি গ্রামের এ ঘটনায় পা,গলা থা,নায় একটি অ,পমৃত্যু
মা,মলা দা,য়ের করা হয়।স্থানীয় ও থা,না সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লং,গাইর ইউনিয়নের পূর্ব গো,লাবাড়ি গ্রা,মের

প্রবাসী শাকিল মিয়ার স্ত্রী জ,নু আক্তার শা,শুড়ির সাথে ব,সবাস করতেন।শাকিল মি,য়া বি,দেশে থাকা অবস্থায় ফে,ইজবুকের মাধ্যমে নরসিংদী জেলার শিবপুর থা,নার সা,দার চর গ্রামের আলী হোসেনের মে,য়ে জনু আক্তারের




সাথে ব,ন্ধুত্ব ও মন দেয়া-নেয়া হয়। এরই সূত্র ধরে ৭-৮ মাস আগে মো,বাইলে শা,কিল মিয়ার সাথে জ,নু আ,ক্তারের বি,য়ে হয়। পরে শাকিল মিয়ার পরামর্শে জনু আক্তার গফরগাঁওয়ে এসে শাশুড়ির সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। বিয়ের সময়

জনু আক্তারের স্বা,স্থ্য খু,বই কম ছিল। শা,কিল মিয়া দেশে ফিরে স্ত্রী,কে এতটা স্বা,স্থ্যহীন দেখে প,ছন্দ
নাও করতে পারেন- এ আ,শঙ্কায় তিনি দী,র্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য বৃ,দ্ধির জন্য গরু মোটা-তা,জাকরণ বড়ি খেয়ে আসছিলেন।




গত বৃ,হস্পতিবার রা,তে খাওয়া-দাওয়া শে,ষে ট্যা,বলেট খেয়ে ঘুমিয়ে পরেন জ,নু আক্তার। পরে ঘুমের মধ্যেই তিনি মা,রা যান।স্থা,নীয় লো,কজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পা,গলা থা,নার অফিসার ইনচার্জ শা,হিনুজ্জামান খানের নেতৃত্বে

পু,লিশ মৃ,তের লা,শ উ,দ্ধার করে ম,য়নাতদন্তের জন্য ম,য়মনসিংহ মে,ডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ম,র্গে প্রে,রণ করে।পা,গলা থা,নার ও,সি শা,হিনুজ্জামান খা,ন বলেন, লা,শ উ,দ্ধারের সময় ঘরে গ,রু মোটা-তাজাকরণ ট্যা,বলেটের




খালি প্যা,কেট পাওয়া গেছে। ধারণা করছি গৃ,হবধু স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য এই ট্যাবলেট খেতেন। ঘু,মের মধ্যেই মারা গেছেন তিনি। লাশ ম,র্গে প্রে,রণ করা হয়েছে। ম,য়নাতদন্ত রি,পোর্ট এলেই স,ত্যটা জানা যাবে।

আরো পড়ুন জো’র করে পোশাক পরিবর্তন করিয়ে চারদ’ফায় ধ’র্ষণ করেছে আমায়: ছা’ত্রীর রো’মহ’র্ষক জবানব’ন্দি ধ’র্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হা*সপা*তালে ভর্তির আগে ও পরে কয়েকজন শিক্ষক ও




বন্ধুকে এভাবে ঘটনার বর্ণনা দেন। পরে তারা কথাগুলো জানা যায়। ধ’র্ষক বারবার নাম জিজ্ঞেস করছিল। কিন্তু মে’য়েটি ভাবছিলেন, ঢাবি শিক্ষার্থী বললে মে’রে ফেলবে। পরিচয় জানলে সে বাঁচবে না। লোকটা খুব দাম্ভিক ছিল।

তাকে প্রতিরোধ করতে পারেনি মে’য়েটা। ধ’র্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর সঙ্গে রাতে হা*সপা*তালে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাদেকা হালিম ও সামিনা লুৎফা। ভিকটিম শিক্ষার্থীর সঙ্গে তারা সহম’র্মীতা নিয়ে কথা বলেছেন, যার অনেক




কিছু তারা গণমাধ্যমকেও জানাতে রাজি হননি।ভিকটিমের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, রবিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে নামা’র পরে থেকে শেওড়ার যে বন্ধুর বাসায় রওনা দিয়েছিলেন তিনি, সেই বন্ধুর বাসায় পৌঁছানো

পর্যন্ত সময় লাগে মোট সাড়ে ৩ ঘণ্টা। এই সময়ের মধ্যে ধ’র্ষণের ঘটনা ঘটে। ঠিক কতক্ষণ তিনি জ্ঞান হারিয়েছিলেন তা বলতে পারেননি। তবে জ্ঞান ফিরে আসার পর বুঝতে পারেন, ঘণ্টা দুয়েক পার হয়েছে এবং ধ’র্ষক তখনও ঘটনাস্থলে




উপস্থিত ছিল। ঘটনার বিবরণে ভিকটিম কী’’ বলেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সাদেকা হালিম বলেন, ‘মে’য়েটির সামনে পরীক্ষা। স্টাডি সার্কেলে পড়ালেখা করে শিক্ষার্থীরা। সে কারণেই বান্ধবীর বাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। তার সঙ্গে বাড়তি

পোশাক ছিল, পড়ালেখার বই-নোটস আর প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস। মে’য়েটির বিবরণীতে ধ’র্ষক একজনই ছিল।ধ’র্ষক কেমন ছিল দেখতে তা বলতে পেরেছে কিনা প্রশ্নে অধ্যাপক সাদেকা বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছিলো সিরিয়াল কিলার। ঠান্ডা

মাথায় যে ধ’র্ষণের মতো অ’প’রাধ ঘটিয়েছে একাধিকবার। এবং মে’য়েটিকে জো’র করে পোশাকও পরিবর্তন করিয়েছে, আবার ধ’র্ষণ করেছে।ভিকটিম জানিয়েছে, ধ’র্ষক তার পরিচয় জানতে চেয়েছে বারবার। মে’য়েটি আন্দাজ

করছিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় পেলে তাকে মে’রে ফেলা হতে পারে। তাই সে মুখ খোলেনি।কী’’ভাবে পালিয়ে এলেন সে বিষয়ে ঢাকা মে*ডিক্যা*ল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানান, ধ’র্ষণের কোনও একসময় মে’য়েটি জ্ঞান হারায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here