ক্রিকেট হোক বা বাস্তব জীবন, শুধু পরিশ্রমে কোনো লাভ নেই। সঙ্গে ভাগ্যের সহায়তা লাগে। তবে হ্যাঁ, মেধাযুক্ত




পরিশ্রমের মূল্য আছে। আর জীবনে সফল হতে গেলে পরিশ্রমের সঙ্গে ভাগ্য অবশ্যই প্রয়োজন। না হলে হাজার

পরিশ্রম বিফলে যেতে পারে। ঠিক যেমনটা হয়েছে জিম্বাবুয়ের বাঁহাতি স্পিনার রে প্রাইস সঙ্গে। মাঠে পরিশ্রম কম




করেননি। কিন্তু ভাগ্য তাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলল। ক্যারিয়ারে শচীন টেন্ডুলকারের মতো গ্রেট ব্যাটসম্যানকে তিনবার

আ’উট করেছিলেন প্রাইস। টেস্ট ক্রিকেটে ৮০, ওয়ানডেতে ১০ এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শি’কার করেছেন ১৩টি




উইকেট। ২০১১ সালে রে প্রাইস মুম্বাইয়ের হয়ে আইপিএলেও খেলেছেন। এমন ক্রিকেটারকে কিনা এখন এসি সারানোর

মেকানিক হিসাবে কাজ করতে হচ্ছে!অনেকেই এখন আর তার দুরা’বস্থার কথা জানেন না। কেউ সেভাবে খোঁ’জও নেন




না। তিনি অতি সাধারণভাবে জীবন কা’টাচ্ছেন। ২০১৩ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নেন রে প্রাইস। তারপর ছোট্ট একটি

খেলার সরঞ্জাম বিক্রির দোকান খুলেছিলেন। সেই ব্যবসা তেমন চলেনি। তারপরেও ব্যবসা চালিয়ে যান। পাশাপাশি মানুষের




বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসি সারানোর মেকানিক হিসাবে কাজ করেন। খোদ শচীন টেন্ডুলকার তার বোলিংয়ের প্রশংসা

করতেন। এমনকী শচীনের সঙ্গে তার বন্ধু্ত্বও ছিল। ভারতে খেলতে এসে দারুন এক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন রে




প্রাইস। ভারত সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রাইস বলেছিলেন, ‘টেস্ট খেলতে দিল্লিতে গিয়েছিলাম। ম্যাচের দুই দিন আগে

দিল্লির চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলাম ঘুরতে। ওখানে যিনি হাতিদের দেখভাল করেন তিনি হঠাৎ এগিয়ে এসে বলেন, স্যার আমার ছেলে বাঁ-হাতি স্পিনার। ও আপনার বড় ভক্ত। ওই অভিজ্ঞতা কখনও ভুলব না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here