দেশের মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এসব অঞ্চলের নদনদীতে পানি দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪
ঘণ্টায় মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন জেলাসহ মুন্সীগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে পদ্মা ভাগ্যকূল পয়েন্টে বিপত্সীমার ৬২




এবং মাওয়ায় ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি বইছে। ফলে মুন্সীগঞ্জ নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।এদিকে পদ্মার তীব্র স্রোতে ইতিমধ্যে বিলীন

হয়ে গেছে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের হলদিয়া গ্রামের একটি মসজিদের একাংশ। সেই মসজিদেই শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।এছাড়া জেলার কামারখাড়া মুন্সীবাড়ী পয়েন্টে ২ সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ বিলীন হয়ে




গেছে। এতে কামারখাড়া-আদাবাড়ী এবং দীঘিরপাড়-কামারখাড়া-ভাঙ্গুনিয়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
আরো পড়ুন,ভা’রতে বর্ষার আগমন ঘটেছে ১ লা জুন, এবং বাংলাতেও সহ অন্যান্য রাজ্যেও বর্ষার আগমন ঘটে গিয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের বুকে সেরকম বৃষ্টির দেখা না মিললেও উত্তরবঙ্গের বুকে শুরু হয়েছে‌ প্রবল বৃষ্টিপাত। উত্তরবঙ্গের বহু জায়গাতেই এর জন্য সমস্যার উদ্রেক হয়েছে। নদীগু’লির জল বি-প-জ্জ-ন-ক হারে বাড়ছে। কিন্তু এবারে বর্ষার প্রারম্ভেই




গঙ্গার উপকূলে দেখা দিয়েছে বিরাট ভা-ঙ্গ-ন।এর ফলে আ-শ-ঙ্কায় দিন কা’টাচ্ছেন বহু মানুষ। জানা গিয়েছে বাংলার বুকে দুই দিনে প্রায় ৪ বিঘা জমি গঙ্গার গ্রাসে চলে গিয়েছে। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে এই ভা-ঙ্গ-

ন যা শুক্রবার রাতে তীব্র আকার ধারণ করে। গঙ্গায় বর্ষার শুরুতেই জলস্ফীতি ঘটেছে, তার দরুন এই ভা-ঙ্গ-ন শুরু হয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের সহায় সম্বলটুকু নিয়ে ভয়ে ঘর ছাড়তে শুরু করেছেন।এই ভাঙ্গন দেখা




দিয়েছে মালদার কালিয়াচকে। এদিকে প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভ-য়া-ব-হ অবস্থা উত্তরবঙ্গের বুকে। আসাম এবং মেঘালয়ে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ২০০ মিলিমিটারের বেশী বৃষ্টি হতে পারে আগামী সপ্তাহের বুধবার পর্যন্ত। এমনটাই

জানা গিয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা। আসামে এমনিতেই দেখা দিয়েছে ভ-য়া-ব-হ ব’ন্যা।জানা গিয়েছে, শনিবার থেকেই উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার




বৃষ্টি হতে পারে, দুই দিনাজপুর এবং মালদায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিলিটার, বৃষ্টি হ‌ওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের বুকেও প্রবল বৃষ্টিপাত হ‌ওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ২৭.৮ ডিগ্রি

সেলসিয়াস।শুক্রবার বিকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্পের আগমন হয়েছে। বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভা’রী বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে। নদীয়া জে’লাও ভা’রী বৃষ্টির সম্মুখীন হতে




পারে। রবিবার এবং সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জে’লায় ব-জ্রবি-দ্যু-ৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘন্টায় উত্তর-পশ্চিম ভা’রতের রাজ্যগু’লিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here