শা’রীরিক চা’হিদা মেটাতে তরুণীর চিঠি! এক গৃহবধূর পরিচয় দিয়ে পোস্ট করা হলো এমনই এক চিঠি।ভারতের পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুরের ঘ’টনা। এসকর্ট সার্ভিসের (যৌ’নব্যবসা) ওয়েবসাইটে কে বা কারা ওই গৃহবধূর নাম, ফোন




নম্বর, ঠিকানা ও ছবি দিয়ে পোস্ট করে দিয়েছিল চিঠি। যাতে লেখা ছিল, ‘আমি সদ্য বিবা’হিতা। আমার স্বা’মী

শা’রীরিকভাবে অ’ক্ষম। এই জন্য অবাধ মেলামেশার পুরু’ষ বন্ধু চাই। দু’ঘণ্টার জন্য ৫০০ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে




আমাকে।’শুধুমাত্র ওই গৃহবধূই নন, তার অবিবা’হিত ননদেরও ছবি-সহ বিস্তারিত ত’থ্য এসকর্ট সার্ভিসের ওয়েবসাইটে

পোস্ট করা হয়েছিল। সেই পোস্ট ভাইরাল হতেই টানা দু’মাস ধরে নানান লোকের উৎপাতে দিনে-রাতে অ’তিষ্ঠ হয়ে




উঠেছিলেন ওই গৃহবধূ ও তার ননদ।এর ফলে তাদের পারিবারিক ও সামাজিক স্বাভাবিক জীবনও বিপন্ন হয়ে উঠেছিল। পাড়ায় মুখ দেখাতে পর্যন্ত পারছিলেন না এই পরিবারের সমস্ত সদস্যই। এমনকী সদ্য বিয়ে করা স্বা’মীর স’ঙ্গেও ভু’ল

বোঝাবুঝি হচ্ছিল ওই গৃহবধূর। বা’ধ্য হয়ে ওই গৃহবধূ ও তার ননদ দ্বারস্থ হন লালবাজারের গোয়েন্দাদের। বিস্তারিত জানিয়ে তারা অভিযোগ দা’য়ের করেন লালবাজারের সাইবার থানায়। অভিযোগ পাওয়ার পর ত’দন্তে নামেন সাইবার




থানার গোয়েন্দারা।টানা দু’মাস ধরে এই ঘ’টনার ত’দন্ত চালানোর পর অবশেষে শুক্রবার বড়বাজারের হরিরাম গোয়েঙ্কা

স্ট্রিট থেকে গৌরব বর্মা নামে এক যুবককে গ্রে’প্তার করা হয়। ত’দন্তে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ ও তার ননদের প্রতিবেশী




নাজিয়া রহমানের নির্দেশেই ধৃত যুবক গৌরব এই অ’পকর্ম করেছিল। সেই প্রতিবেশীকে খুঁজছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

টানা দু’মাস ধরে এই ঘ’টনার ত’দন্ত চালানোর পর অবশেষে শুক্রবার বড়বাজারের হরিরাম গোয়েঙ্কা স্ট্রিট থেকে গৌরব




বর্মা নামে এক যুবককে গ্রে’প্তার করা হয়।ত’দন্তে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ ও তার ননদের প্রতিবেশী নাজিয়া রহমানের নির্দেশেই ধৃত যুবক গৌরব এই অ’পকর্ম করেছিল। সেই প্রতিবেশীকে খুঁজছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।যাদবপুরের

আজাদগড় শ্রীনগরের এক বাসিন্দার স’ঙ্গে কয়েক মাস আগেই বিয়ে হয় ওই গৃহবধূর। তাদের পাশেই থাকে অ’ভিযুক্ত নাজিয়া রহমান। ত’দন্তে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, নাজিয়াদের স’ঙ্গে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক বি’বাদ রয়েছে




দীর্ঘ দিনের।নাজিয়ার স’ঙ্গে আবার বন্ধুত্ব ছিল বড়বাজারের হরিরাম গোয়েঙ্কা স্ট্রিটের এক ব্যবসায়ীর ছেলে গৌরব বর্মার। ওই গৃহবধূ ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে কীভাবে ফাঁ’সানো যায় তার জন্য গৌরবের স’ঙ্গে পরামর্শ করেছিল

নাজিয়া। তখন গৌরবই ওই গৃহবধূ ও তার ননদের ছবি-সহ বিস্তারিত ত’থ্য নাজিয়ার কাছ থেকে চায়।এরপর সেই ত’থ্য নিয়ে গৌরব এসকর্ট সার্ভিসের ওয়েবসাইটে পোস্ট করে দেয় গত ৩ অক্টোবরে। তারপর থেকেই শুরু হয় যত বিপত্তি।




ওয়েবসাইট দেখে বিভিন্ন লোক আসা-যাওয়া শুরু করে ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে। এমনকী, মাঝরাতেও আসতে শুরু করে ম’দ্যপ যুবকরা। মাঝরাতে দরজায় কলিং বেলের শব্দ শুনলেই আঁতকে উঠতেন ওই পরিবারের সদস্যরা।এমনকী,

ফোনেও উ’ত্ত্যক্ত করত ম’দ্যপ যুবকের দল। পরের দিনই ওই গৃহবধূ ও তার ননদ দ্বারস্থ হন লালবাজারের। ত’দন্তে নেমে অ’ভিযুক্ত যুবককে গ্রে’প্তার করেন গোয়েন্দারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here