দুই বছরেরও বেশি সময় পর কারামুক্ত হয়ে গুলশানের বাসভবনে পৌঁছে কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।




গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় শেষ হয়েছে কোয়ারেন্টাইন। তবে প্রাণঘা-তী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবারও কোয়ারেন্টাইনেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।




সেজন্য কারামুক্ত হওয়ার ২২ দিন পর হলেও এখনো দলের কোন নেতাকর্মীকে দেয়া হয়নি সাক্ষাতের অনুমতি।
পরিবারের কেবল দু’জন সদস্য সকালে ও বিকেলে




পৃথকভাবে তাঁর সাথে দেখা করছেন। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী ঈদুল ফিতরের আগে কারো সাথে তিনি দেখা করবেন না বলেও জানিয়ে

তাঁর পরিবারের স্বজনরা। শারীরিক নানা অসুস্থতার কারণে কারাবন্দী অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে




চিকিৎসাধীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। মানবিক বিবেচনায় গত ২৫ মার্চ তাকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছে সরকার।
কারামুক্ত হওয়ার পর বিএসএমএমইউ থেকে গিয়ে ওঠেন গুলশানের ভাড়া

বাসভবন ফিরোজায়। ওইদিনই খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের একটি টিম তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং কোয়ারেন্টাইন শেষ না




হওয়া পর্যন্ত বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বলেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার অন্যতম ব্যক্তিগত চিকিৎসক

ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ম্যাডাম ভীষণ অসুস্থ। তার চিকিৎসা জরুরি।কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি এমন যে, এখন এটি সম্ভব হচ্ছে না। বেগম জিয়ার কোয়ারেন্টাইন গত ৯ মার্চ শেষ হলেও

করোনা পরিস্থিতির কারণে আবারও তিনি কোয়ারেন্টাইনেই থাকছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ রয়েছে।কোয়ারেন্টাইন শেষ হলেও এখনো তিনি (খালেদা জিয়া) কারো সাথে দেখা করবেন না।

আগামী ঈদের আগে নেতাকর্মীদের সাথে দেখা করার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। এই সময়ে কেবল বোন সেলিমা ইসলাম ও ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা পৃথকভাবে তার সাথে সাক্ষাত করছেন।

সকালে ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতিমা এবং সন্ধ্যায় বোন সেলিমা ইসলাম। এছাড়া সাথে রয়েছেন গৃহকর্মী ফাতেমা এবং নার্স।

তারাই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেখভাল করছেন এবং সার্বিক বিষয় তত্ত্বাবধান করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here