বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলার প্রধান আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও ঘটনার

পর ‘ব’ন্দুকযু’দ্ধে’ নিহত নয়ন বন্ডের বি’য়ের বিষয়টি কারও অজানা নয়।




আ’দালতে এ দুজনের বিয়ের বিষয়টি নি’শ্চিত করেছিল নি’হত নয়নের সহযোগীসহ তার

বাবা-মা ও বাসার আয়া। সর্বশেষ বিষয়টি আ’দালতকে নিশ্চিত করলেন নয়ন ও মিন্নির




বিয়ের কাজি মো. আনিছুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য

দেন কাজি আনিছুর। এ সময় তিনি আ’দালতের কাছে নয়ন-মিন্নির বিয়ের রেজিস্টার ও




বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য বিবা’হ নিবন্ধন বই (বালাম) উপস্থাপন করেন। আ’দালত সেটি গ্রহণ

করেন।

আ’দালতে যা বলেন বিয়ের কাজি

‘২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ে আমি সম্পন্ন করি। ওই দিন নয়ন




বন্ডের কয়েকজন বন্ধু আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। তখন বাসায় নয়ন বন্ডের মা এবং

মিন্নিসহ অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। নয়ন ব’ন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা

দে’নমোহরে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ে দেই আমি।’

আ’দালতকে কাজি আনিছুর বলেন, ‘বিয়ে সম্পন্ন করার পর আমি জানতে পারি মিন্নি

বরগুনা পৌরসভার আবু সালেহ কমি’শনারের ভাইয়ের মেয়ে। তখন আমি সালেহ

কমিশ’নারকে আমার মোবাইল থেকে কল দিয়ে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের খবর

জানাই।

তিনি আমাকে বিয়ের কথা গোপন রাখতে বলেন। এরপর মি’ন্নির বাবা মোজাম্মেল

হোসেন কিশোরও আমাকে ফোন করে বিবাহের বিষয়টি গোপন রাখতে অনুরোধ

করেন।’

রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ের ব্যাপারে কাজি আ’দালতকে বলেন, ‘আমি জানতে

পারি কু’মারী পরিচয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়েছে। রিফাত শরীফের সঙ্গে

বিয়ের পরদিন মিন্নির বাবা আমাকে ফোনে বলেন, মিন্নি ও নয়ন বন্ড আগামীকাল

আপনার কাছে যাবে। আপনি তাদের ডি’ভোর্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মিন্নির বাবার কথা

অ’নুযায়ী ওই দিন তারা আমার কাছে আসেনি। এর পরদিন ফোন করে আবারও

আমাকে একই কথা বলেন মি’ন্নির বাবা কিশোর। ওই দিনও ডি’ভোর্সের জন্য মিন্নি ও

নয়ন বন্ড আমার কাছে না আসায় মিন্নির বাবাকে ফোন দেই। তখন মিন্নির বাবা আমাকে

জানান, ওরা দুজনে ক’মিটমেন্ট করেছে বিয়ের কথা কাউকে জানাবে না। গোপন

রাখবে। আপা’তত থাক।’

এর আগে গতকাল সোমবার একই আদালতে নয়ন-মিন্নির বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত

করেছিলেন মাম’লার তিন সাক্ষী মো. হেলাল সিকদার, মো. দুলাল খাঁন ও নয়ন বন্ডের

বাসার আয়া মোসা. ফুলি বেগম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here