বিশ্বব্যাপী ল’কডা’উন সিস্টেম মোটেই উদার ধারণা নয়। ড. মুসা বিন শমসের এবং তার

ব্যবসায়িক অংশীদার ভ’য়ঙ্ক’র অ’স্ত্র ব্যবসায়ী আদনান এম. কাশোগি (খাশোকজি)




বিশ্বের বহু দেশকে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের জন্য বিরাট অবদান

রেখেছেন। বিশেষভাবে আদনান কাশোগি উত্তর কোরিয়া এবং ইরানকে বিশ্বের সবচেয়ে




পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসাবে পরিণত করেছেন। ড. মূসা পুরোপুরি চ্যালেঞ্জ করে

জানিয়েছিলেন যে, নাসা যদি সেলফার ডাস্টের সাথে পারমাণবিক ধূলিকণা




মিশ্রনে ঘন ধোঁয়া তৈরী করে এবং আমেরিকান এয়ার ফোর্সের মাধ্যমে এই ধোঁয়া সারা

বিশ্বে ১০ হাজার ফুট উপরে থেকে ছড়িয়ে দিতে পারে তাহলে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব

বিলীন হয়ে যাবে। মানব স্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে বিজ্ঞানীরা আরও কিছু উপাদান যুক্ত

করতে পারেন এর সাথে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের ধারণা নেই যে করোনার ভাইরাস আ’ক্রান্ত

রোগী’রা যারা সুস্থ হয়ে

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছে তারা আবারও আক্রান্ত হবে। সুতরাং, বিশ্ব নেতাদের

জন্য বিজ্ঞানীদের পরামর্শের ভিত্তিতে ড. মূসা বিন শমসেরের এই অভূতপূর্ব তত্ত্বটি

বাস্তবায়নের জন্য সর্বসম্মতভাবে এগিয়ে আসার সময় এসেছে। অন্য কোনও

চিকিৎসা এবং কোনও ওষুধই করোনা ভাইরাস নামক এই বিপজ্জনক অনিবার্য মহামারী

থেকে এই বিশ্বকে বাঁচাতে পারবে না। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ যদি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হন তবে

কিয়ামতের দিনটি আসন্ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here