সোমবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আনিসুর রহমান ওই নারীকে ছেলের লেখাপড়া বিষয়ে কথা বলার জন্য মোবাইলে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে ডেকে নেন। পরে সেখানে বাড়ির সদস্যদের অনুপ’স্থিতির সু,যোগে আনিস তাকে মুখ চেপে ধরে ধ’র্ষণ করে। এ সময় প্রতিবেশীরা তার চি,ৎকারে এগিয়ে এসে আনিসকে হা,তেনাতে আ’টক




করেন। কিন্তু খবর পেয়ে আনিসের স্ব,জনেরা এসে হু’মকি-ধা’মকি দিয়ে তাকে ছা,ড়িয়ে নিয়ে যান।পরের দিন ওই নারীর বাবাকে খবর দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে স্থানীয় গ্রাম প্রধানেরা নামককাওয়াস্তে বিষয়টি মিমাংসা করেন। একই সঙ্গে তাদের থা’নায় গেলে অমঙ্গল হবে জানিয়ে ওই নারীকে তার বাবার সঙ্গে চলে যেতে বাধ্য করেন। এ




ঘটনার পর থেকে অভি’যুক্ত আনিস প’লাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুস্তম আলী মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আনিস শা’রীরিকঅসু’স্থতার কারণে ছুটিতে আছেন। তবে তিনি একটানা কয়দিন ছুটি পেতে পারেন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের সঙ্গে দু’র্ব্যবহার




করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার বলেন, এটি পারিবারিকভাবে মিমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ওই নারীকে সবার সাথে মিলে চলার স্বা’র্থেই মামলা না করাসহ কিছুদিন বাবার বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে।বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা




হবে।বড়াইগ্রামের মাঝগ্রামে আনিসুর রহমান নামে এক স্কুল শিক্ষকের বি’রুদ্ধে মোবাইলে ডেকে নিয়ে এক শিক্ষার্থীর মাকে ধ’র্ষণের অভি’যোগ উঠেছে। এদিকে, থা’নায় যেতে না দিয়ে চাপের মুখে আ’পোষ মিমাংসার নামে বাবার বাড়ি যেতে বাধ্য করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ গ্রাম প্রধানেরা। অভিযুক্ত আনিসুর রহমান মাঝগ্রামের সাদেকুর রহমান মুন্সীর ছেলে। তিনি মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন।




আরো পড়ুন,বয়স একশো পেরিয়েছে বলছেন অনেকেই। কারো সহযোগিতা ছাড়া নড়াচড়াও করতে পারেন না। মাঝেমধ্যে মুখ নেড়ে কিছু একটা বলার চেষ্টা করেন। বৃদ্ধা এই মহিলাকে স্টেশনে ফেলে পালিয়েছে ছেলে। রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজে’লার রহনপুর রেলস্টেশন থেকে এমনই এক বৃদ্ধাকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে




ভর্তি করেছে পু’লিশ ও স্থানীয়রা।স্থানীয় ও পু’লিশ সুত্রে জানা যায়, ১৫ দিন আগে শতবর্ষী এ মাকে কনকনে শীতের মধ্যে স্টেশনে ফেলে গেছে তার ছেলে ও ছেলের বউ। কঙ্কালসার শরীর নিয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত প্ল্যাটফর্মে পড়েছিলেন তিনি। স্থানীয় এক ব্যাক্তি জানান, একটি ভ্যানে করে ওই বৃদ্ধাকে নিয়ে এসে স্টেশনে ফেলে যান একজন নারী ও




একজন পুরুষ। আমি তখন স্টেশনেই উপস্থিত ছিলাম। চলে যাওয়ার সময় তাদের ডেকেছিলাম। কিন্তু তারা সাড়া না দিয়ে চলে যায়। এর পরেই প্রচণ্ড অ’সুস্থ হয়ে পড়েন ওই বৃদ্ধা। পরে পু’লিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।মালতী নামে এক নারী ওই বৃদ্ধার সাথে হাসপাতালে আছেন। মালতী জানান, চিকিৎসা পেয়ে




কিছুটা সাড়া দিচ্ছেন ওই বৃদ্ধা। ইশারা ও অস্পষ্ট ভাষায় কথা বলছেন। তার কথা এবং ইশারায় সন্তানদের প্রতি তীব্র ক্ষো*ভ ফুটে উঠছে। তিনি বলেন, আমি তাকে বলেছি- ‘খালা, তোমা’র ছেলে এসেছে। চোখ খোলো।’ তিনি তখন ইশারায় ছেলেকে চলে যেতে বলছেন। এ বিষয়ে পু’লিশ সদস্য তৌহিদুল ইস’লাম বলেন, প্লাটফর্মে খুবই ক’ষ্ট পাচ্ছিলেন

ওই মা। নিজেকে তার সন্তান মনেই করেই হাসপাতালে নিয়ে আসি। গোমস্তাপুর উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, হাসপাতালে আনার পর ওই বৃদ্ধার র’ক্তচাপ ও পালস অস্বাভাবিক ছিলো। চিকিৎসা পেয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। অ’পুষ্টি ও অ’পরিচ্ছন্নতা থেকেই তিনি অ’সুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।জানা গিয়েছে ওই বৃদ্ধার

চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন রহনপুর পৌরসভার মেয়র তারিক আহম্ম’দ। তিনি বলেন, ঘটনাটি খুবই ম’র্মা’ন্তিক। মাকে এভাবে ফেলে যাওয়ার মতো জঘন্য কাজ কোনো ছেলে করতে পারে জানা ছিল না। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে এসেছি। শতবর্ষী এ মায়ের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ আমি বহন করবো। তার সন্তানকে খুঁজে বের করে কঠোর শা’স্তির ব্যবস্থা করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here